• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

পোল্ট্রি ফিডের দাম বৃদ্ধিতে লোকসানে যশোরের খামারীরা

রিপোর্টারঃ / ২৫১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২২

যশোর প্রতিনিধি:
যশোর জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের যুবকরা এক সময় খামারে মুরগি পালন করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে খামারের পণ্য ও খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে গুটিয়ে সীমিত হয়ে যাচ্ছে এই জনপ্রিয় পোল্ট্রিখামার ব্যবসা। পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে জড়িত খামারী ও ফিড উৎপাদনকারীরাও লোকসানের বোঝা বইছেন। গত বছরের করোনার ক্ষতি সামাল দিতে না পেরে অনেকেই ঋণ নিয়ে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে আরও লোকসানে পড়েছেন।অনেকেই খামার বন্ধ করে পেশা বদলে ফেলেছেন।বর্তমানে খামার ব্যবসা গুটিয়ে বিভিন্ন কাজের দিকে ঝুকছেন।সারাদেশে খামারি পর্যায়ে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রয় মূল্য ১০৮/১১০ টাকা। অথচ এক কেজি ওজনের একটি ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন খরচ ১৩৫/১৪০ টাকা। প্রতি কেজিতে লোকসান ২৫ টাকা। ২ কেজী ওজনের মুরগী হলে একজন খামারি যদি ১০০০ মুরগি পালন করেন তার লস দাঁড়ায় (৫০/১০০০= ৫০০০০) টাকা। এই হিসেবে উপজেলার খামারিদের প্রতিমাসে ডেমারেজ আনুমানিক প্রায় ১,২৪,২০,০০০ টাকা। দুই থেকে তিন বছর আগে যে সকল বেকার যুবক বা ব্যবসায়ীরা খামার ব্যবসায় সফলতা লাভ করেছিলেন এখন তারা চোখে ধোঁয়াশা দেখছেন। অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য কাজ করছেন। সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের পোল্ট্রি ফিডের মালিক ও খামার ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২১/২২ সালে প্রতি বস্তা মুরগির খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যে খাদ্য প্রতি বস্তা ১৮৫০ টাকায় ক্রয় করা যেত এখন সেটি কিনতে হচ্ছে ৩২৫০/৩৩০০ টাকায়। যশোর সদর উপজেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শফিউল আলম জানান, ঔষধ ও খাদ্য দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে অনেকটাই বিপাকে খামারিরা। ঔষধ ও খাদ্য দ্রব্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে না এলে খামার ব্যবসায়ীদের জন্য দুর্বিষহ অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।

এ/হ


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন