• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

তিন বছরেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণকাজঃ জনদুর্ভোগ চরমে

রিপোর্টারঃ / ৩০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২

এনামুল হক কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ২৫ মিটার গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণকাজের সময় শেষ হয়েছে ২০২০ সালের ফেব্রয়ারি মাসে। করোনার দোহাই দিয়ে এক দফা মেয়াদ বাড়িয়ে নেয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সে অনুয়ায়ী ২০২০ সালের জুলাই মাসে কাজ শেষ হবার কথা ছিলো। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এখনো সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এতে করে ওই রাস্তায় প্রতিদিন চলাচলকারী কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে হরিনাথপুর রাস্তার পাঁচগাছি ইছামতি সেতু থেকে বেরিয়ে আসা খালের উপর ওই ব্রিজটির অবস্থান। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন ওই ব্রিজটি নির্মাণের কাজ পায় সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোডের ঠিকাদার মেমার্স রফিকুল ইসলাম খান। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৪৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৯৭৩ টাকা। চুক্তি মোতাবেক ২০১৯ সালের ৫ মার্চ ঠিকাদার ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। কিন্তু শুরু থেকেই নির্মাণ কাজে ধীরগতির কারণে ঠিকাদার সময় বৃদ্ধির আবেদন জানান। আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচমাস বাড়িয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই নির্মাণ কাজ শেষ করবার সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু এখনো অবধি চলাচলের জন্য ব্রিজটি খুলে দিতে পারেনি ঠিকাদার।
বুধবার সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে ব্রিজটির মূল কাঠানো নির্মাণ কাজ শেষ। বাকি রয়েছে রেলিং , রাস্তার দুপাশের খূঁটিসহ ব্রিজটির উভয় পাশের সংযোগ স্থাপনের কাজ। সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী খান জানান, ব্রিজটি চলাচলের জন্যে খুলে দেয়া সম্ভব না হওয়ায় ওই রাস্তায় চলাচলকারী জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। ইউনিয়নের মূল রাস্তা এটি। এদিকে বিকল্প ব্রিজটির দুইপাশ ধসে গেছে। অবশ্য ঠিকাদার সংযোগ সড়কের জন্য জমিও পাচ্ছে না। জমি অধিগ্রহণ না করেই ব্রিজটির নির্মাাণ কাজ শুরু হয়েছিলো।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুনুর রশিদ বলেন, লোকজনের চলাচল ওই রাস্তায় বেশি। যানবাহন বেড়ে গেছে অনেক। পুরনো সেতুটির দুইপাশ থেকে মাটি সরে গেছে। সরু ওই সেতুর দুপাশে অনেকখানি করে গ্যাপ রয়েছে। ফলে প্রায়শই গাড়ি উল্টে যায়। ঘটে দুর্ঘটনা। দ্রুত নির্মিত ব্রিজটি চালু করা জরুরী।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মুসলিম উদ্দিন বলেন, আমরা ব্রিজের কাজ প্রায় শেষ করেছি। কিন্তু দুই পাশের মানুষ জমি দিতে চায়না। ফলে ব্রিজের সংযোগকারী রাস্তা করতে পারছি না।
কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী জানান, সংযোগ সড়কের জায়গার বিষয়ে সবকিছু মিটিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু ঠিকাদার এরপরেও কাজ তুলছেন না।
কাজিপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, ঠিকাদার নানা কারণে দেরি করছেন। এখন সব মিটমাট হয়ে গেছে। দ্রুতই ব্রিজটি চলাচলের প্রস্তুটি সম্পন্নের জন্যে ঠিকাদারকে কঠোরভাবে বলা হয়েছে।

এ/হ


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন