• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

সারিকান্দিত যাত্রা গান শুরুর আগেই প্যান্ডেল পুড়িয়ে দিল পুলিশ প্রশাসন

রিপোর্টারঃ / ২৬৪ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়া সারিয়াকান্দি বোহাইল ইউনিয়নের ৫৪ নদীর ঘাটে আয়োজিত যাত্রাগানের প্যান্ডেল পুড়িয়ে দিল পুলিশ। পুলিশ প্রশাসন বলছে অশ্লীল নৃত্য এবং জুয়া খেলার অভিযোগে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন বলছে অনুমতি ছাড়াই যাত্রাগান আয়োজনের জন্য যাত্রাগান বন্ধ করা হয়েছে, তবে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেয়া ঠিক নয়।স্হানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের ধারাবর্ষা গ্রামের ৫৪ চরের যমুনা নদীর ঘাটে যাত্রাগানের আয়োজন করে ধারাবর্ষা গ্রামের জিয়াউর রহমান। সেখানে সরকারের নিবন্ধিত যাত্রাদল দি নিউ হিরামনি অপেরা যাত্রাদল যাত্রাগান করার কথা ছিল। কিন্তু যাত্রা শুরুর আগেই রাত ১০ টায় সেখানে অভিযান পরিচালনা করে সারিয়াকান্দি চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুরুল হুদা। এ সময় তিনি যাত্রার পেন্ডেলের খড়ে আগুন ধরিয়ে দেন এবং যাত্রাগান বন্ধ করে দেন। বিষয়টি সম্পর্কে এলাকায় এখন চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষ সারাদিন বিভিন্ন ধরনের কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পরেন। তারা শহরের মানুষদের মতো বিভিন্ন ধরনের বিনোদন হতে বঞ্চিত। তাই আমরা বহু বছর পর রাতে যাত্রাগানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন যাত্রা শুরুর আগেই যাত্রা প্যান্ডেল পুড়ে দিল। বিষয়টি আমাদের খুবই মর্মাহত করেছে।
বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খান আসাদ বলেন, যাত্রাগানের আয়োজনের বিষয়টি আমাকে অবহিত করা হয়েছিল। আমি আয়োজক কমিটিকে সেখানে কোনরূপ অশ্লীলতা এবং অনৈতিক কাজ ছাড়াই শান্তিপূর্ণ যাত্রাগান করার পরামর্শ দিয়েছি। তবে জানতে পারলাম যাত্রা শুরুর আগেই প্রশাসন যাত্রাগান বন্ধ করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে চন্দনবাইশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুরুল হুদা বলেন, দুর্গম চরাঞ্চলে অশ্লীল যাত্রাগান এবং জুয়া চলছিল তাই সেখানে অভিযান পরিচালনা করে অশ্লীল যাত্রাগান বন্ধ করা হয়েছে।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজেশ কুমার চক্রবর্তী বলেন, যাত্রাগান করার জন্য আয়োজক কমিটি পুলিশ প্রশাসনের কোন অনুমতি নেয় নি। তাই সেই যাত্রাগান বন্ধ করেছে ফাঁড়ি থানার পুলিশ।


সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই যাত্রাগান আয়োজন করার কারণে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে যাত্রাগান বন্ধ করা হয়েছে। তবে প্যান্ডেল পুড়িয়ে দেয়া ঠিক নয়। তা না করে মালামাল জব্দ করে নিলাম করা যেত।
এ/হক


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন