• শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশপুরে অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন জহির রায়হান থিয়েটারের ৩০ বছর পূর্তি আলোচনা সভা, ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত সাপাহারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা-অনুষ্ঠিত কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন কর্তৃক চোরাকারবারি আটক সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন শেরপুরে চাঁদা না পেয়ে মারধর অপহরণ থানায় মামলা কাজিপুরে ৮ টি গাঁজার গাছসহ এক কারবারী গ্রেপ্তার উল্লাপাড়ার মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কাজিপুরে সোনামুখীতে এম মনসুর আলী স্মৃতি ভলিবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রায়গঞ্জের পাঙ্গাসীতে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে চাউল বিতরন

ধামরাইয়ে কৃষি জমির মাটিলুট প্রশাসন নির্বিকার

রিপোর্টারঃ / ২৭২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার :
ঢাকার ধামরাই উপজেলা’র সানোরা ইউনিয়নের সানোরা খালপাড় এলাকায় আনু ও রহমান নামের দুই মাটিখেকু কৃষি জমির মাটি লুটের মহাৎসব শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করা হলেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী জানান, গতবছরের ন্যায় এবারও কৃষি জমি ধ্বংস করে মাটিলুট হচ্ছে। গত বছর উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতায় ভিপি জমি ও কৃষি জমি রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দুটি ভেকু বন্ধ করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে জরিমানা করেন।

এ বছর ও একই কায়দায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের ছত্রছায়ায় এ মাটিলুট কার্যক্রয় চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। ধামরাই উপজেলায় বৈধ-অবৈধ প্রায় ২শতাধিক ইটেরভাটা থাকায় মাটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পেশিশক্তি ব্যবহার করেও ভাটামালিকদের মাটির চাহিদা পূরণ করতে পারলে অধিক লাভবান হওয়ায় মাটি ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া। উপজেলার নান্নার ইউনিয়নের চাউনা এলাকায় কৃষির টপসয়েল কেটে নিচ্ছে নান্নার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর গাজীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন। একই কায়দায় কৃষি জমির মাটিলুট হচ্ছে উপজেলার চৌহাট, আমতা, বালিয়া, যাদবপুর, সূতিপাড়া, গাংগুটিয়া, শরিফবাগ ইউনিয়নে।

এসব এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব ও বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে বিরামহীন ভাবে মাটিলুট হয়ে যাচ্ছে। ওইসব এলাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা বলেন, মাটি ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালীর পাশাপাশি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় তাদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাই না। প্রতিবাদ করতে গেলে মামলা হামলার ভয় দেখায়। তারা বলেন প্রশাসন ম্যানেজ করেই মাটি ব্যবসা করে থাকি। উপজেলা প্রশাসনে লিখিত অভিযোগ দিলে সাময়িকের জন্য মাটি কাটা বন্ধ থাকে। পরে আবার অভিযোগ দেওয়ার কারণে বিভিন্ন রকম হয়রানির শিকার হই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, কৃষি জমির মাটিলুটকারীদের বিরুদ্ধে যদি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের অভিযোগ থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন