• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

তাড়াশে খেজুরের রস থেকে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত গাছিরা

রিপোর্টারঃ / ২৫৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২২

সাব্বির মির্জা, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে খেজুর রস সংগ্রহ ও রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। শীতের শুরু থেকেই বাড়ছে রসের চাহিদা। পাশাপাশি রস জ্বালিয়ে তৈরি করা সুস্বাদু খেজুর গুড়ের পাটালী, ঝোলা ও দানা গুড়ের চাহিদাও অনেক। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত চলবে তাদের ওই কর্মযজ্ঞ। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায়, বসতবাড়ি, পুকুর পাড়ে ও পরিত্যাক্ত ভিটে-ভাটিতে অযন্ত অবহেলায় ছোট-বড় প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার খেজুর গাছ রয়েছে। এ গাছ থেকে প্রতি বছর প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেঃ টন রস সংগ্রহ হয়ে থাকে। যা থেকে তৈরি হয় ১৫ থেকে ২০ মেঃ টন খেজুর গুড়। উৎপাদিত এ সব গুড় স্থানীয় হাট-বাজার ও পাশর্^বর্তী জেলা-উপজেলা গুলোতে বিক্রি হয়ে থাকে।

উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ভোগমান গ্রামে এসেছেন রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার তুলশীপুর (হরিপুর) গ্রামের গাছি মো.পলাশ হোসেন। তিনি জানান, কার্তিকের (নভেম্বর) মাঝা-মাঝিতে এসে এলাকার খেজুর গাছ মালিকদের কাছ থেকে গাছ প্রতি ৩ কেজি থেকে সাড়ে ৩ কেজি গুড়ের বিনিময়ে খেজুর গাছ গুলো লীজ নেওয়া হয়।

চলতি মৌসুমে প্রতিটি গাছ থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কেজি গুড় তৈরী করা সম্ভব হবে। এ সময় তারা প্রতিটা দল প্রতিদিন ১’শ ৫০ থেকে ২’শ টি পর্যন্ত খেজুর গাছ লাগিয়ে তা থেকে রস সংগ্রহ করে থাকেন। প্রতিটি দলে ৪ থেকে ৫ জন ওই কর্মযজ্ঞ করে থাকেন। স্থানীয় খেজুর রস ক্রেতা শিমুল জানান, শীতের সকালে গাছ থেকে নামানো কাঁচা রসের স্বাদ বর্ণনা করা সম্ভব নয়। এছাড়াও জ্বাল দেওয়া রসের তৈরি বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার অতুলনীয়। এখান থেকে রস কিনে বোতলে করে বাড়ির জন্য নিয়ে যাচ্ছি বলেও জানান তিনি। শারমিন আক্তার মীম নামে এক গুড় ক্রেতা বলেন, খাঁটি গুড় পাওয়ার আশায় এখানে আসলাম। রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করে কিনে নিলাম। আসলে বর্তমানে ভেজালের কারনে খাঁটি জিনিসের প্রাপ্যতা একটু মুশকিল হয়ে গেছে। তাই এখানে এসে গুড় কিনতে পেরে ভালো লাগছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, শীত মৌসুমে খেজুরের রস থেকে তৈরীকৃত গুড় সবার কাছেই বেশ সমাদৃত। খেজুর রস থেকে কৃষকের বাড়তি আয় হয়। সেজন্য কৃষকদের বাড়ির আঙ্গিনায়, পুকুর পাড়ে ও ভিটে-ভাটিতে থাকা খেজুর গাছের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন