• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

নিজ নম্বরে ভুলে যাওয়া বয়ষ্ক ভাতার টাকা ফিরে দিলেন মিলন

রিপোর্টারঃ / ৩২০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২

রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ।

রংপুরের পীরগাছায় ভুল মোবাইল নম্বরে যাওয়া বয়স্ক ভাতার টাকা উপকারভোগীর বাড়িতে গিয়ে ফিরিয়ে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মিনহাজুল ইসলাম মিলন নামে এক যুবক। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপকারভোগী বৃদ্ধা ফিরোজা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ৭ হাজার ৫শ টাকা বুঝে দেয়া হয়। ওই বৃদ্ধার বাড়ি উপজেলার ধনির বাজার এলাকায়।
জানা গেছে, ওই এলাকার স্থানীয় মসজিদের মোয়াজ্জিন আব্দুর রহমাননের স্ত্রী ফিরোজা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়। পরে উপকারভোগীদের নাম অনলাইন সিষ্টেম চালু করা হলে ফিরোজা বেগম আর ভাতার টাকা পাননি। মোবাইল নম্বর ভুলের কারণে ভাতার টাকা চলে যায় মিনহাজুল ইসলাম মিলনের মোবাইলে। হঠাৎ মোবাইলে টাকা দেখে তার মালিককে খুজতে থাকেন মিলন। অবশেষে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসের সহযোগিতায় উপকারভোগী ফিরোজা বেগমকে খুজে পান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ধনির বাজার এলাকায় বসবাসরত ফিরোজা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ৭ হাজার ৫শ টাকা বুঝে দেয়া হয়। মিলন ইটাকুমারী ইউনিয়নের আরাজি ঝিনিয়া গ্রামের সাহাব উদ্দিনের ছেলে।
ফিরোজা বেগম বলেন, ভাবছিলাম টাকা আর পাব না। কিন্তু আমার এই ছেলের আমাকে নিরাশর করেনি। অনেক পরে হলেও টাকা পেয়ে আমি খুশি। দোয়া করি আমার এই ছেলে যেন একজন ঈমানদার মানুষ হিসেবে জীবন যাপন করতে পারে।
মিলন মিয়া বলেন, টাকাটা আসার পর আমি চিন্তিত ছিলাম। কার টাকা, কেউ খোজ নিল না। পরে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে যোগাযোগ করে উপকারভোগী ফিরোজা বেগমকে খুজে পাই। আজ তার বাড়িতে গিয়ে টাকাটা ফিরিয়ে দিতে পেরে বেশ স্বস্তি লাগছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, সমাজে এ দরনের মানুষ পাওয়া দুস্কর। আমি মিলন ভাইয়ের মহানুভবতা দেখে মুগ্ধ। তাকে সাধুবাদ জানাই।


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন