• রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সামাজিক কাজে অবদান রাখায় সংবর্র্ধিত হলেন কাজিপুরের সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাজিপুরে আনোয়ারা আজাদ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ বগুড়ায় মাটিডালী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ শিবগঞ্জে প্রবীণ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ ধামরাইয়ের কালিয়াগারে জানালা ভাঙা নিয়ে তুমুল ঝগড়া ও সংঘর্ষ উপস্থাপনায় সেরা হওয়ার লড়াইয়ে বগুড়ার তামান্না খন্দকার ঈদ উপহার পেলেন কাজিপুরের ১৪শ দুস্থ পরিবার মোহাম্মদ নাসিমের জন্মদিনে কোরান শরিফ বিতরণ করলেন এমপি জয়

উল্লাপাড়ায় মাদ্রাসার দুই পদে অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ

রিপোর্টারঃ / ১৫১ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

শাহরিয়ার মোরশেদ, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড় পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বড় কোয়ালীবেড় দাখিল মাদ্রাসায় ২টি পদে মাদ্রাসার সুপার শফিক উদ্দিন ও সভাপতি সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
জানাজায়, ২৩ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার গোপনে সকাল ৯টায় নিয়োগ বানিজ্যের অর্থ ভাগাভাগি করে নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া পদে দুই জনকে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে মাদ্রাসায় তালা লাগিয়ে চলে যায় সুপার ও সভাপতি।
এবং প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ও পছন্দের পার্থীকে মনগরা ভাবে নিয়োগ দেয় সভাপতি ও সুপার। নিরাপত্তা কর্মী পদে নাইম ইসলাম ও আয়া পদে রত্না খাতুনকে নিয়োগ প্রধান করেন অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম ও সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এ নিয়ে বড় কোয়ালীবেড় এলাকায় সাধারণ জনগণ ও স্কুলের অভিভাবক সদস্যদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা ঝর। সভাপতি ও সুপার প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেও কথা বলতে পারে না বলে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, প্রায় অর্ধকোটি টাকার বিনিয়ে মাদ্রাসার দুটি পদে অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে গোপনে মাদ্রাসায় সকাল ৯টায় তরীঘরি করে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করে মাদ্রাসা তালা দিয়ে চলে যান সুপার সফিক উদ্দিন ও মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একে এম শামছুল আলম। সাংবাদিকদের উপস্তিতি টের পেয়েই নাকি সটকে পরেন তারা। তাদের ব্যাবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোনদিলেও তারা ফোন রিসিভ করেন নাই
এ/হ


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন