• শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মহেশপুরে অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন জহির রায়হান থিয়েটারের ৩০ বছর পূর্তি আলোচনা সভা, ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত সাপাহারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা-অনুষ্ঠিত কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন কর্তৃক চোরাকারবারি আটক সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন শেরপুরে চাঁদা না পেয়ে মারধর অপহরণ থানায় মামলা কাজিপুরে ৮ টি গাঁজার গাছসহ এক কারবারী গ্রেপ্তার উল্লাপাড়ার মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত কাজিপুরে সোনামুখীতে এম মনসুর আলী স্মৃতি ভলিবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রায়গঞ্জের পাঙ্গাসীতে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মধ্যে চাউল বিতরন

এক বুক জ্বালা নিয়ে যে কথা নারীর ভালোবাসা ও মাতৃস্নেহ

রিপোর্টারঃ / ৩০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছেঃ বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

এখন যাচ্ছে কোথায়?
বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শুকুর মাহমুদ
নর-নারীর সৃষ্টি লগ্ন হতেই চলে আসছে প্রেম-ভালোবাসা, শুরু হতেই নারীর মমত্বে আশ্রিত পুরুষ। বলা চলে পুরুষের নিরাপদ আশ্রয়-ই নারীর বুক একজন পুরুষ সারাদিনের ক্লান্তি নাশিতে আশ্রয় লয় স্ত্রীর বুকে। পুরুষ অপরাধ বা দুঃষকর্ম করে এসে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে স্ত্রীর কোড়ে। আবহমান কাল হতে চলে আসছে নর-নারীর প্রেম-ভালোবাসার আস্থাভাজন সুত্র। অথচ এখন চলছে বিপরীতমূখী। আমার আবাসের অনতিদূরে ভাড়া থাকত এক দম্পতি, একদিন সকালে জানা গেল পুরুষটি মারা গেছে, কোন উপসর্গ ছাড়াই। তার স্বজনেরা শিশু সন্তানের মায়া করে আপনজনের স্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিয়ে লাশ দাফন করল। পরদিন ওই নারী শিশু সন্তান ফেলে রেখে পূর্ব পরকীয়ার হাত ধরে উধাও। তার স্বাজনদের সন্ধেহ হওয়ায় আদালতে মামলা করে দিল। ৪৫ দিন পর লাশ উঠিয়ে প্রমাণ করা হল বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
পার্শবর্তী গ্রামের তথাকথিত সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, স্কুল-কলেজগামী দুই সন্তানের জননী। স্বামী পদস্থ্য অফিসার, স্বামীর অফিসের পিয়নের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। অতপর ওই পরকীয়ার সহায়তায় স্বামীকে হত্যা করে তিন টুকরো করেছিল নারী। এইত সেদিন পত্রিকায় দেখলাম ননদ জামাইয়ের সাথে নষ্টামি করে পঞ্চাশউর্দ্ধ বয়সী নারী পরকীয়ার সাথে যোগসাজসে স্বামীকে হত্যা করেছে। সন্তানকে আরবি পড়ানোর নাম করে মসজিদের ইমামের সাথে পরকীয়ার জড়িয়ে স্বামীকে সাত টুকরো করেছিল নারী। ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য বিবাহ উপযোগী দুই সন্তানের জননী স্বামীর খালাতো ভাইয়ের প্রেমে আসক্ত হয়ে স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে জেলখাটল যুগোল কপোত-কপোতী। এ রকম হাজারো ঘটনা প্রতিনিয়ত ভেসে আসছে খবরের কাগজে। এই যদি হয় বর্তমান অবস্থা তাহলে নারীর মমত্ব এখন কোথায় আর পুরুষের নিরাপদ আশ্রয় কোথায়?
অন্যদিকে মাতৃ¯েœহ ও সন্তানের ভালোবাসা নিয়ে বাঙালি সংস্কৃতিতে নানা কথা রয়েছে, পূর্বাবদি চলে আসছে যার স্লোগানকে বলা হত সন্তানের জন্য মাতৃ¯েœহ, মায়ের ভালোবাসা, মায়ের হৃদয়-মায়ের আর্শিবাদ, মাতৃছায়া। মাকে নিয়ে সন্তানের জন্য যত কথা যার প্রমান রয়েছে সন্তানকে বাঁচাতে আগুনে ঝাপ দিয়ে পুড়ে মারা গেল মা। পানি থেকে সন্তানকে তুলতে ডুবে মারা গেছে মা, সন্তানের জীবন বাঁচাতে দূবৃত্তের হাতে নিজের সত্তীত্ব হারিয়েছে কত মা। অনাহারি মা নিজের জীব চুসে খাইয়ে সন্তানকে বাঁচিয়েছে মা অথচ সেই মায়েদের মাতৃ¯েœহ এখন যাচেছ কোথায়?
ঢাকায় কর্মরত রং মিস্ত্রির স্ত্রী, পার্লারওয়ালীর স্বামীর প্রেমে নষ্টামী করতে ৮/১০ বছর বয়সী সন্তানের কাছে ধরা পড়ল মা ওই সন্তানদের হত্যা করে টয়লেটের ভিতর রেখে দিয়েছিল মা। প্রবাসীর স্ত্রী দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করে সেপ্টি ট্যাংকির মধ্যে ফেলে রেখে পরকীয়ার হাত ধরে উধাও হলো মা। অন্য আর এক প্রবাসীর স্ত্রী ছয় মাসের শিশু সন্তান সহ দু’টি সন্তান ফেলে প্রেমের নদীতে সাঁতার দিয়ে পাড়ি জমিয়েছে মা। মায়ের নির্বাচনী কাজে বাধা দেয়ায় সন্তানকে হত্যা করে সেপ্টি ট্যাংকির ভিতর রেখে দিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিল মা।
নারী কর্তৃক মাতৃ¯েœহ, মায়ের ভালোবাসা এখন যাচ্ছে কোথায়, নারী আপনজন, নারী বোন, নারীরা-ই মা কিন্ত আজকের সমাজে ওরা কারা?
লেখক : কথাসাহিত্যিক ও কলামিষ্ট, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ। আলাপচারিতা: ০১৭৮২-৪৫৭৭৮৩


এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন